
ধর্মীয়
স্বাধীনতার বাধা পর্যবেক্ষণ ও তা উত্তরণে সুচিন্তিত পরামর্শ দিতে বাংলাদেশ
সফরে আসছেন জাতিসংঘের বিশেষ দূত (স্পেশাল র্যাপোর্টিউর) হেইনার
বিয়েলেফেলডট। ধর্মের স্বাধীনতা, সহিংসতা, ভীতি প্রদর্শন ও নিজের হাতে
বিচারের ভার তুলে নেয়ার বিষয়গুলো তিনি পর্যবেক্ষণ করবেন। ধর্মীয় স্বাধীনতা
ও বিশ্বাসের অধিকার ভোগের ক্ষেত্রে উদ্ভূত প্রতিবন্ধকতাসমূহ শনাক্ত করবেন
তিনি। একই সঙ্গে কিভাবে এ প্রতিবন্ধকতাসমূহ থেকে উত্তরণ পাওয়া সম্ভব, সে
বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সুপারিশ ও পরামর্শও উপস্থাপন করবেন বিয়েলেফেলডট। তিনি
ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, আদিবাসী সম্প্রদায়ের ইস্যুগুলোর বিষয়েও তার
পরামর্শ তুলে ধরবেন। এ জন্য আগামী ৩১শে আগস্ট তিনি ঢাকায় আসছেন। ৯ই
সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অবস্থান করবেন বাংলাদেশে। এ সময়ে সরকারি বিভিন্ন
কর্মকর্তা, বিভিন্ন ধর্মে বিশ্বাসী, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, আদিবাসী
সম্প্রদায়, সুশীল সমাজ ও বাংলাদেশস্থ জাতিসংঘের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক
করবেন। ৯ই সেপ্টেম্বর জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিকাল ৩টায় সংবাদ সম্মেলন করার
কথা রয়েছে তার। সফরের পর ২০১৬ সালে জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের সামনে
পর্যবেক্ষণের ফলাফলের ওপর তৈরি করা প্রতিবেদন উপস্থাপন করবেন। এতে তিনি
বিভিন্ন সুপারিশ ও পরামর্শ তুলে ধরবেন। গতকাল জেনেভা থেকে জাতিসংঘের এক
বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়েছে। বিয়েলেফেলডট বলেছেন, ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রচার ও
ধর্ম সংরক্ষণের নামে সহিংসতা, ভীতি প্রদর্শন ও নিজের হাতে বিচারের ভার
তুলে নেয়ার বিষয়টি তিনি পর্যবেক্ষণ করবেন। বিশেষ করে আন্তঃধর্মীয় সংলাপের
পদক্ষেপসমূহের মধ্যে প্রধান যেসব বাধা রয়েছে তা দূর করার ব্যাপারে করণীয়
নির্ধারণে জানতে তিনি আগ্রহী। বিবৃতিতে বলা হয়- নারী-পুরুষ, শিশু, বিশেষ
করে ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায় বা আদিবাসী সম্প্রদায়ের ইস্যুগুলোর সঙ্গে
সম্পর্কিত ধর্মীয় স্বাধীনতা বা বিশ্বাস নিরূপণের বিষয়টি হবে তার জন্য
সময়োপযোগী সুযোগ। ইউএন হিউম্যান রাইটস কাউন্সিল জাতিসংঘের বিশেষ দূত হিসেবে
হেইনার বিয়েলেফেলডটের ওপর এ দায়িত্ব অর্পণ করেছে।
Comments[ 0 ]
Post a Comment